সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এসব বিষয় নিয়ে সবাইকে চিন্তার পরামর্শ দিয়েছেন।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ১০০ ফিটে জেসিআই কার্নিভালে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, পলিটিক্সের অনেক কচকচানি থাকবে।
পার্লামেন্টের কথা শুনলে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে, অনেকে ভালো লাগবে না। রাস্তায় বিভিন্ন বক্তৃতা শুনলে আপনাদের মনে হবে যে এটা আবার কি হলো? যা আমরা আশা করিনি। টেলিভিশনের টকশো আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে। আরো বেশি বিভ্রান্ত করবে আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়া।
যে সোশ্যাল মিডিয়া আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়া একটা উন্নত দেশ। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যান করে দিয়েছে তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য।
কেন? কারণ সোশ্যাল মিডিয়া সব সময় ভালো জিনিসকে নিয়ে আসে না। আমাদের এখানে এই প্রভাবটা খুব বেশি পড়েছে।
তবে এসব বিষয় নিয়ে হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি মহাসচিব।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও গত ৫৬ বছরে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেন, দেশের মাথা পিছু আয় ও জিডিপি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
এখনো প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে এবং অনেকেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত। তবে নানা খাতে দেশের বিভিন্ন অগ্রগতির দিক তুলে ধরে খাদ্য ঘাটতি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সক্ষম হওয়ায় আশাবাদও প্রকাশ করেন তিনি।


