পৃথিবীজুড়ে যুদ্ধ আর অস্থিরতা চললেও নববর্ষে শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই অন্তত এক দিনের জন্য সব গ্লানি ভুলে আনন্দের জোয়ারে ভাসে।
হাজার বছরের এই বাঙালি ঐতিহ্য ঘিরে এবারো সারা দেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা আয়োজন করা হয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে বসবে বৈশাখী মেলা, আর শহর-নগরেও থাকছে নানা উৎসবের আয়োজন।
কদর কিছুটা কমে গেলেও বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে মৃৎশিল্পীদের ঘরে এখন শুরু হয়েছে বাড়তি ব্যস্ততা। পাশাপাশি ঘরোয়া নানা আয়োজনেও জমে উঠছে উৎসবের আবহ।
এত সব আয়োজনের মধ্যে উৎকণ্ঠা জাগে কালবৈশাখী ঝড় কিংবা বৃষ্টি আনন্দ ভেজাবে কিনা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী ও ফরিদপুর জেলা এবং খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এর মধ্যে গত শনিবার যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাস বলছে, পহেলা বৈশাখে সারা দেশে আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম, তবে বিক্ষিপ্তভাবে হতে পারে। সারা দেশেই খুব বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগেও বৃষ্টিপাতের ক্ষীণ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পহেলা বৈশাখ দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।


